কৌশলগত মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনায় অনুকূল কার্যক্রম

আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় অনুকূল কার্যক্রম । যা বাউবি ওএসএমবিএ ২২০১ কৌশলগত মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা – ইউনিট ৪ এর অন্তর্গত।

অনুকূল কার্যক্রম

 

অনুকূল কার্যক্রম

 

অনুকূল কার্যক্রম ধারণায় বলা হয়েছে যে, অতীতে চাকরি ও অন্যান্য ক্ষেত্রে বৈষম্য ছিল যা দূর করার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেন বৈষম্য দূর হয়। অনুকূল কার্যক্রমের জন্য প্রতিষ্ঠানকে নিশ্চিত করতে হবে যে, তাদের কার্যশক্তি সমাজের প্রতিনিধি, যেখানে ব্যবসায় পরিচালিত হয়।

অনুকূল কার্যক্রম ( Affirmative Action ) ধারণা পোষণ করে সেই প্রতিষ্ঠানসমূহ, যে প্রতিষ্ঠানগুলো কর্মীকে যথাযথভাবে সমানভাবে বিবেচনায় আনতে পারেনি। তাই একটিমাত্র উপায় হলো অতীতের বৈষম্য সংশোধন করে তাদেরকে সমভাবে বিচার করতে হবে এবং চাকরির সুযোগ দিতে হবে ।

এদিকে, সমচাকরির সুযোগ (EEO) মতবাদে বলা হয় যে, প্রতিষ্ঠানকে বৈষম্যহীন কর্মপরিবেশ দিতে হবে। তবে এটি বলে না যে, প্রতিষ্ঠানকে অতীতে ফিরে যেতে হবে এবং বৈষম্য সংশোধন করতে হবে।

EEO তে ধারণা দেওয়া হয় যে, যে কোনো উদ্যোগে ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে হবে এবং বৈষম্যহীন সমাজ ও কার্যক্ষেত্র তৈরি করতে হবে। সংক্ষেপে EEO এর যুক্তি হলো: “দুটি ভুল সঠিক বস্তু তৈরি করতে পারে না” (Two wrongs do not make things right) ।

 

যৌন হয়রানি বা উৎপীড়ন:

১৯৮৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট Meritor Savings Bank Vs Vinson মামলায় বলে যে, যৌন-হয়রানি “Title VII”- এর আওতায় যৌন বৈষম্য সৃষ্টি করছে। তখন থেকে যৌন-হয়রানি পরিস্থিতি এমন অবস্থার সৃষ্টি করে, যেখানে একজন লোক একজন মহিলাকে যৌন উৎপীড়ন করে যিনি ঐ ব্যক্তির নিচের পদে বা সমপদে চাকরি করেন।

১৯৯৮ সালে উচ্চ আদালত আবারো Oncale Vs Sundow her offshore, Inc.-এর মামলায় বলে যে, একই লিঙ্গের মধ্যে যৌন-হয়রানি “Title VII”-এর আওতায় ব্যবস্থা গ্রহণযোগ্য প্রতিবছর প্রতিষ্ঠান কর্মীদের এ জন্য অনেক অর্থ জরিমানা হিসেবে প্রদান করে।

এটি শুধু অর্থের ক্ষতি তাই নয়, বরং এতে কর্মিসম্পর্ক এবং কর্মীদের নৈতিকতা নষ্ট করে দেয়। যৌন-হয়রানি দিনে দিনে বেশ জটিল আকার ধারণ করে এজন্য যে, ক্রমবর্ধনশীল যুবক-যুবতীরা কার্যক্ষেত্রে যৌনতার দিকে ধাবিত হয়। সুতরাং যৌন নিপীড়নের বিষয়টি মালিকদের নিকট একটি চ্যালেঞ্জিং বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

 

অনুকূল কার্যক্রম

Leave a Comment