আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় ব্যাবস্থাপনা উন্নয়নের উদ্দেশ্য
Table of Contents
ব্যাবস্থাপনা উন্নয়নের উদ্দেশ্য

ব্যাবস্থাপনা উন্নয়নের উদ্দেশ্য
নিম্নে ব্যবস্থাপনা উন্নয়নের উদ্দেশ্যসমূহ আলোচনা করা হলো:-
জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধি (Developemnt of knowledge and skill) :
ব্যবস্থাপনা উন্নয়নের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য হলো ব্যবস্থাপক বা নির্বাহীদের জ্ঞানের বিকাশ সাধন, দক্ষতা ও কার্যক্ষমতার উন্নয়ন।
সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা বৃদ্ধি (Increase decision making capacity) :
ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন ব্যস্থাপকদের বিভিন্ন সমস্যা সম্পর্কে বিচার বিশ্লেষণ ও অনুধাবন করার ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। আর এর ফলে ব্যবস্থাপকদের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ অত্যন্ত সহজ হয়ে যায়।
যুগোপযোগী ও আধুনিক ধ্যান ধারণার সমৃদ্ধিকরণ (Prevent obsolescence):
ব্যবস্থাপনা উন্নয়নের ফলে প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপক বা নির্বাহীরা অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও কারিগরি জ্ঞান অর্জন করে সমৃদ্ধ হয়। আর এর ফলেই প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপক বা নির্বাহীগণ আধুনিকমনা এবং যুগোপযোগী হয়ে ওঠে এবং সেকেলে বা গতানুগতিক ধ্যান ধারণা থেকে বেরিয়ে আসে।
প্রতিষ্ঠানের চাহিদা পূরণ (Meet organizational need):
ব্যবস্থাপনা উন্নয়নের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের সর্বস্তরে প্রতিভাসম্পন্ন ও দক্ষ ব্যবস্থাপক গড়ে ওঠে। এর ফলে প্রতিষ্ঠনের প্রয়োজন অনুযায়ী দক্ষ ব্যবস্থাপক এর সদ্ব্যবহার করতে পারে।
শূন্যপদ পূরন (Replacement) :
ব্যবস্থাপনা উন্নয়নের ফলে দক্ষ, প্রতিভাসম্পন্ন ও কর্মপারদর্শী ব্যবস্থাপক তৈরি হয়। প্রতিষ্ঠানের বয়ষ্ক, রুগ্ণ ও অক্ষম নির্বাহীদের স্থলে অধিক প্রতিভা এবং যোগ্যতাসম্পন্ন পেশাজীবীদের দ্বারা শূন্যপদ পূরণ করাও ব্যবস্থাপনা উন্নয়নের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য।
উত্তম কার্যসম্পাদন নিশ্চিত করা (Ensure better performance):
ব্যবস্থাপনা উন্নয়নের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের কর্মরত সকল ব্যবস্থাপক বা নির্বাহীর জ্ঞান, দক্ষতা, মনোবল এবং কার্যসম্পাদনের মানের উন্নয়ন সাধিত হয়। আর এর ফলেই প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য অর্জন সহজ হয়ে যায়।

মনোভাব ও আচরণের পরিবর্তন (To change attitude and behavior):
ব্যবস্থাপনা উন্নয়নের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের সকল ব্যবস্থাপক বা নির্বাহীদের কাজের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব তৈরি হয়। আর কাজের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব ব্যবস্থাপক বা নির্বাহীদের উন্নত আচরণ প্রদর্শনে সহায়তা করে। এর ফলশ্রুতিতে প্রতিষ্ঠানের কার্যসম্পাদনের মান বৃদ্ধি পায়, সুষ্ঠু কার্যপরিবেশ তৈরি হয় এবং সৌহার্দ্যপূর্ণ শিল্পসম্পর্ক গড়ে ওঠে।
