জ্ঞান ব্যবস্থাপনা কৌশল উন্নয়নের পদ্ধতি

আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় জ্ঞান ব্যবস্থাপনা কৌশল উন্নয়নের পদ্ধতি। যা বাউবি ওএসএমবিএ ২২০১ কৌশলগত মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা – ইউনিট ৭ এর অন্তর্গত।

জ্ঞান ব্যবস্থাপনা কৌশল উন্নয়নের পদ্ধতি

 

জ্ঞান ব্যবস্থাপনা কৌশল উন্নয়নের পদ্ধতি

 

Hansen ও সহযোগীরা জ্ঞান ব্যবস্থাপনার কৌশল উন্নয়নের দুটি পদ্ধতি চিহ্নিত করেছেন :

১। জ্ঞানকে সিস্টেমে পরিণতকরণ কৌশল (Modification Strategy) : জ্ঞানকে সতর্কতার সাথে সিস্টেমে পরিণত করে ডাটাবেজে জমা করা হয় যেখানে সহজে প্রবেশ করে ব্যবহার করা যায়, প্রতিষ্ঠানের যে কেউ তা করতে পারে। কর্মীগণ থেকে দলিল পদ্ধতিতে (People to Document Approach) জ্ঞান প্রকাশিত হয় এবং সিস্টেমে পরিণত করা হয় ।

এই কৌশলটি তাই প্রমাণভিত্তিক। জ্ঞানকে যারা উন্নয়ন সাধন করেছে তাদের নিকট থেকে সংগ্রহ করা হয়, ঐ ব্যক্তিকে স্বাধীন করে দেওয়া হয় এবং তার নিকট থেকে জ্ঞানকে বিভিন্ন উদ্দেশ্যে পুনব্যবহার করা যায়। জ্ঞানকে মানুষের ব্যবহারের জন্য বিভিন্ন ইলেকট্রনিক মাধ্যমে সংরক্ষণ করা যায় এবং যিনি জ্ঞানকে উন্নয়ন করেছেন তার সাথে কোনোরকম যোগাযোগ ছাড়াই এটিকে ব্যবহার করা যায় ।

 

২। ব্যক্তিগতকরণ কৌশল (Personalization Strategy) : যিনি জ্ঞান উন্নয়ন করেন, এটি তার সাথে নিবিড়ভাবে আটকে থাকে এবং এটি তখন সরাসরি এক ব্যক্তি থেকে আরেক ব্যক্তির মধ্যে যোগাযোগের মাধ্যমে ছড়ানো যায়। এটিকে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি পদ্ধতি (Person to Person Approach) বলা হয়, যা অপ্রকাশিত জ্ঞানকে প্রকাশ করে।

জ্ঞানের বিনিময় অর্জন করা সম্ভব হয় যোগাযোগ মাধ্যমে বা নেটওয়ার্ক স্থাপনের মাধ্যমে এবং সামনাসামনি ব্যক্তি ও দলের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপনের মাধ্যমে। আর এটি সম্ভব অনানুষ্ঠানিক কনফারেন্স, দলগত প্রয়োগ, কর্মশালা, বিজ্ঞ পর্যালোচনা, একক বক্তৃতার আয়োজন প্রভৃতির মাধ্যমে।

Hansen ও সহযোগীরা গবেষণা পরিচালনা করেন এবং প্রতিষ্ঠা করেন যে, প্রথম কৌশলের মাধ্যমে জ্ঞান ব্যবহার করা যায় ফলপ্রসূভাবে এবং দ্বিতীয় কৌশলটি ব্যবহার করা যায় প্রাথমিক সমর্থন দেওয়ার জন্য। আর যারা দুটি কৌশলই সমহারে ব্যবহার করেন তাদের ঝুঁকিও কম হয়।

 

জ্ঞান ব্যবস্থাপনা কৌশল উন্নয়নের পদ্ধতি

Leave a Comment