আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় কর্পোরেট সংস্কৃতি ও নৈতিকতার পরিবেশ। যা বাউবি ওএসএমবিএ ২২০১ কৌশলগত মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা – ইউনিট ৯ এর অন্তর্গত।
কর্পোরেট সংস্কৃতি ও নৈতিকতার পরিবেশ

কর্পোরেট সংস্কৃতি হলো: ধারণা, রীতি-নীতি, পুরাতন কার্যক্রম, কোম্পানির মূল্যবোধ, পারস্পরিক সহমর্মিতা ইত্যাদির সংমিশ্রণ যা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত প্রত্যেকের আচরণ কী হবে তা বলে দেয়। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানেরই সংস্কৃতি রয়েছে; যা কর্মীদের আচরণকে প্রভাবিত করে। কোনো কোনো কোম্পানিতে একজন প্রবেশ করে সহজেই বুঝতে পারে যে, সেখানে নৈতিকতার বাতাস বইছে।
কর্মরত কর্মীগণই তাকে বলে দেবে যে, সেখানে কী ধরনের আচরণ গ্রহণযোগ্য আর কোনটি অগ্রহণযোগ্য। কর্মীদের মধ্যে এ ধরনের অকৃত্রিম বোঝাপড়াকেই বলা হয় নৈতিকতার পরিবেশ। এ পরিবেশই কোম্পানির নৈতিকতার স্বর প্রকাশ করে।
মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা পরিচিতি ।
মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা সাধারণ ব্যবস্থাপনারই একটি অবিচেছদ্য গুরুত্বপূর্ণ অংশ । ব্যবস্থাপনাবিদগণ যে সাতটি ‘ M ’ দ্বারা কার্য সম্পাদন করেন তার মধ্যে Man Power বা Human Resource অন্যতম । দক্ষতা ও ফলপ্রসূতার সাথে প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য অর্জনের লক্ষ্যে দক্ষকর্মী সংগ্রহ ও নিয়ােগ , উন্নয়ন ও সংরক্ষণের প্রক্রিয়াকে মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা বলে ।
প্রতিষ্ঠানে নিয়ােজিত কর্মী । তথা মানব সম্পর্কিত বিষয়াদি নিয়ে ব্যবস্থাপনার যে অংশ কাজ করে , তা মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা হিসেবে পরিচিত । মানব সম্পদ । ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ব্যক্তিবর্গ , তাদের সংগ্রহ , নির্বাচন ও নিয়ােগ , উন্নয়ন , কর্মীদের কাজে উদ্বুদ্ধকরণ ও রক্ষণাবেক্ষণের সাথে সম্পর্কিত । মানব সম্পদ হচ্ছে প্রতিষ্ঠানের চালিকাশক্তি ।
তাই প্রতিষ্ঠানের এ সম্পদের বাছাই , নিয়ােগ , প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন , বেতন ও মজুরি প্রদান , প্রেষণা ও সুযােগ – সুবিধা দান , কর্মীদের অভাব – অভিযােগ নিরসন , কর্মীর অধিকার প্রতিষ্ঠা ইত্যাদি বিষয়সমূহ যে মাধ্যমে সম্পাদন করা হয় , তাকে মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা হিসেবে অভিহিত করা যায় ।
প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্যার্জনের লক্ষ্যে দক্ষতা ও ফলপ্রসূতার সাথে দক্ষ কর্মী সংগ্রহ, নিয়োগ উন্নয়ন, রক্ষণাবেক্ষণ ও সংরক্ষণ করার প্রক্রিয়া কে মানব সম্পদ বলে।

