আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় নির্বাচন কৌশলের প্রধান প্রধান বিষয়সমূহ
Table of Contents
নির্বাচন কৌশলের প্রধান প্রধান বিষয়সমূহ

নির্বাচন কৌশলের প্রধান প্রধান বিষয়সমূহ
মানব সম্পদ নির্বাচনের জন্য সু-নির্দিষ্টভাবে কোনো নির্বাচন কৌশল নেই। কোনো নির্বাচনে কি ধরনের কৌশল ব্যবহৃত হবে তা মূলত নির্ভর করে কাজের প্রকৃতি, বৈশিষ্ট্য, পদের গুরুত্ব ইত্যাদির ওপর। কিছু কিছু নির্বাচনের জন্য লিখিত পরীক্ষার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। আবার কিছু কিছু নির্বাচনে প্রার্থীর নির্বাচনিক উৎকর্ষতা ও প্রাসঙ্গিক গুণের ওপর অধিক গুরুত্ব আরোপ করা হয়। নিম্নে মানব সম্পদ নির্বাচন কৌশলের প্রধান প্রধান বিষয়সমূহ আলোচনা করা হলো:
আবেদন পত্র (Application Form):
আবেদনপত্রে বিশ্লেষণের মাধ্যমেই প্রার্থীর সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা লাভ করা যায়। আবেদনকারীর জীবনীসংক্রান্ত তথ্যাদি প্রদানের জন্য প্রতিষ্ঠান কর্তৃক সরবরাহকৃত মুদ্রিত তথ্যভিত্তিক পত্রকে আবেদনপত্র বা আবেদন ফরম বলা হয়।
আবেদন ফরমে প্রার্থীর নাম, ঠিকানা, বয়স, শিক্ষাগত যোগ্যতা, বৈবাহিক ও পরিবারিক অবস্থা, নাগরিকত্ব, স্বাস্থ্য, অপরাধসম্পর্কিত তথ্য, কর্ম অভিজ্ঞতা, রেফারেন্স এবং প্রার্থীর স্বাক্ষর ইত্যাদি উল্লেখ করতে হয়। সব ধরনের আনুষ্ঠানিক নির্বাচনের ক্ষেত্রেই আবেদন পত্র একটি আবশ্যিক নির্বাচন কৌশল হিসাবে কাজ করে ।
পরীক্ষা/অভীক্ষা (Test) :
আবেদনকারীর বুদ্ধিমত্ত্বা, জ্ঞান, প্রতিভা, ঝোঁক আগ্রহ, দক্ষতা, বিচার বিবেচনা বোধ, ব্যক্তিত্ব ইত্যাদি যাচাই বাছাই এবং পরিমাপ করে উপযুক্ত প্রার্থী নির্বাচনের একটি পদ্ধতিগত প্রক্রিয়াই হচ্ছে পরীক্ষা বা অভীক্ষা ।
সাক্ষাৎকার (Interview):
সাক্ষাৎকারকে মৌখিক পরীক্ষাও বলা হয়ে থাকে। প্রার্থীর যোগ্যতা সম্পর্কে ধারণা পাওয়ার জন্য সাক্ষাৎকারই উত্তম কৌশল। সাক্ষাৎকার বলতে বোঝায় প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষের সাথে প্রার্থীর আনুষ্ঠানিকভাবে মুখোমুখি আলাপ আলোচনা এবং প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে তথ্য আদান প্রদান করা। সাক্ষাৎকারে প্রশ্ন-জিজ্ঞাসার মাধ্যমে প্রার্থীর সঠিক জ্ঞান, দক্ষতা, বাচনভঙ্গি এবং তাৎক্ষণিক বুদ্ধিমত্ত্বা যাচাই করা হয়।
পটভূমি অনুসন্ধান (Background Investigation):
চাকরিপ্রার্থী আবেদন পত্রের সাথে জীবন বৃত্তান্ত, তার অতীত অর্জন এবং ব্যক্তিগত তথ্য প্রদান করে। নির্বাচন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রার্থীর যোগ্যতা এবং অন্যান্য তথ্য যা সে দিয়েছে তার সতত্য যাচাই করা হয়। তারপরও প্রার্থীর বিভিন্ন বিষয় অথবা ব্যক্তিগত তথ্য সম্পর্কে অধিকতর নিশ্চিত হওয়ার জন্য অনুসন্ধান করার প্রয়োজন হয়।

প্রতিষ্ঠান নিজেই এই অনুসন্ধান চালায় বা তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে এই অনুসন্ধান কাজ সম্পাদন করে থাকে। যেমন: সরকারি চাকরির জন্য বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী এই অনুসন্ধান কাজ করে থাকে ।
