বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠানগুলোতে কৌশলগত মানব-সম্পদ ব্যবস্থাপনার উচ্চ পর্যায়ের মূল্যবোধের প্রয়োজনীয়তা

আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠানগুলোতে কৌশলগত মানব-সম্পদ ব্যবস্থাপনার উচ্চ পর্যায়ের মূল্যবোধের প্রয়োজনীয়তা। যা বাউবি ওএসএমবিএ ২২০১ কৌশলগত মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা – ইউনিট ১৩ এর অন্তর্গত।

বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠানগুলোতে কৌশলগত মানব-সম্পদ ব্যবস্থাপনার উচ্চ পর্যায়ের মূল্যবোধের প্রয়োজনীয়তা

 

বাংলাদেশে কৌশলগত মানব-সম্পদ ব্যবস্থাপনার সমস্যা

 

বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠানগুলোতে কৌশলগত মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা কার্যকর করতে হলে কৌশলগত মানব সম্পদ ব্যবস্থাপকের কিছু মূল্যবোধ, নৈতিকতা, রীতি-নীতি, আদর্শ ও বিশ্বাস থাকা প্রয়োজন । এগুলো নিম্নরূপ :

১। ব্যবস্থাপনাকে দক্ষ হতে হবে (Management Should be EffDcient) :

প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা যদি দক্ষ হয় তা হলে কৌশলগত মানব সম্পদ ব্যবস্থাপকগণ দক্ষতার সাথে কর্মীদেরকে পরিচালনা করতে পারবে। তারা অন্য ব্যবস্থাপকদের সাথে দক্ষতা গড়ে তুলতে পারবে।

২। অঙ্গীকার (Commitment) :

কৌশলগত মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের প্রতিষ্ঠানের প্রতি অঙ্গীকার আদায় করতে পারবে। এটি কৌশলগত মানব সম্পদ ব্যবস্থাপকগণ প্রতিষ্ঠানের নীতির আলোকে বাস্তবায়ন করবে।

৩। কর্মী সংগ্রহ পলিসি (Recruitment Policy) :

প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট ও সুষ্ঠু কর্মী সংগ্রহ পলিসি থাকতে হবে। কৌশলগত মানব সম্পদ ব্যবস্থাপককে এটি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে অনুসরণ করতে হবে।

৪। চাপ কমানো (Reduce the Pressure) :

কৌশলগত মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা সাধারণ ব্যবস্থাপনার কাজের চাপ কমিয়ে দিতে পারে এবং ব্যবস্থাপনা দক্ষতার পর্যায় ঠিক রাখতে পারে।

 

৫। মানব সম্পদের সঠিক ব্যবহার (Proper Utilization of Human Resources ) :

কৌশলগত মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানের পক্ষে মানব সম্পদকে যথার্থভাবে ব্যবহার করতে পারে। এতে প্রতিষ্ঠান উন্নতি লাভ করে।

৬। সঠিক প্রতিজ্ঞা (Perfect Ditermination) :

কৌশলগত মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্যার্জনের জন্য দৃঢ় প্রতিজ্ঞ থাকে এবং কর্মীদেরকেও প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়ে কাজ করতে উদ্বুদ্ধ করে।

৭। কার্য মূল্যায়ন (Job Evaluation) :

কৌশলগত মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা সঠিক নিয়মে প্রতিটি পদের বিপরীতে নির্ধারিত করণীয় কাজ মূল্যায়ন করতে পারে। ফলে প্রতিটি পদের পারিশ্রমিক ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধাসমূহ সঠিকভাবে নির্ধারণ করা যায় ।

৮। দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ (Quick Decision) :

কৌশলগত মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা যে কোনো বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্ৰহণ করতে পারে। এতে পেশা পরিকল্পনা ও অন্যান্য কর্মসূচির উন্নয়ন ও বাস্তবায়ন করা যায়।

৯। সম্পর্ক বজায় রাখা (Maintain Relation) :

সরকারি ও বেসরকারি সব ধরনের প্রতিষ্ঠানেই কৌশলগত মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা উচ্চ পর্যায়ের ব্যবস্থাপনার সাথে সম্পর্ক বজায় রাখতে পারে। ফলে সব কাজ সহজভাবে করা যায় ।

 

বাংলাদেশে কৌশলগত মানব-সম্পদ ব্যবস্থাপনার সফলতার উপায়

Leave a Comment