আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় শিক্ষণের মূলনীতিসমূহ
Table of Contents
শিক্ষণের মূলনীতিসমূহ

শিক্ষণের মূলনীতিসমূহ
মানুষের আচরণের স্থায়ী পরিবর্তন ও সংশোধনের প্রক্রিয়াই হচ্ছে শিক্ষণ। শিক্ষণ মানুষের আচার-আচরণ, মূল্যবোধ, বিশ্বাস, সংস্কৃতি, প্রত্যক্ষণ ইত্যাদি বিষয় সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা প্রদান করে। শিক্ষণের ফলে মানুষের চিন্তধারার স্থায়ী পরিবর্তন সাধিত হয়। শিক্ষণের মূলনীতিসমূহ নিম্নে আলোচনা করা হলো :
শিক্ষণ এবং প্রেষণা (Learning and Motivation) :
প্রেষণা শিক্ষার্থীদের শিক্ষণকে আরো বেগবান করে। শেখার আকাঙ্ক্ষা জাগ্রত হলে শিক্ষার্থী তাঁর সকল প্রচেষ্টা নিয়োজিত করে।
ফলাবর্তন এবং শিক্ষণ (Feedback and Learning):
শিক্ষণের জন্য ফলাবর্তন খুবই প্রয়োজন। শিক্ষার্থী যাতে তার ভুলত্রুটি সংশোধন করতে পারে সেই জন্য ফলাবর্তন করা আবশ্যক। বিলম্বিতকরণের চেয়ে তাৎক্ষণিক ফলাবর্তন সবচেয়ে ভালো। কত ভালোভাবে কার্যসম্পাদন করা যায় তার জ্ঞান কোনো ব্যক্তি যত দ্রুত লাভ করবে ততই তার লক্ষ্য অর্জনে কার্যসম্পাদনের তুলনা করে ত্রুটিসমূহ সংশোধন করা সহজ হয়ে ওঠবে।
অনুশীলন বা শিক্ষণ (Practice and Learning):
অনুশীলন শিক্ষার্থীর উন্নত কার্যসম্পাদনে সহায়তা করে । একজন শিক্ষার্থী যা কিছু পড়ে, শোনে এবং দেখে তার অনুশীলন করলে ঐ শিক্ষার্থীর মধ্যে আস্থার জন্ম হয় এবং ভুলের সম্ভাবনা কমে যায়। আর এই জন্যই শিক্ষার্থীর কর্তব্যকার্য বার বার অনুশীলন করা খুবই প্রয়োজন ।
শিক্ষণ রেখা (Learning Curves):
শিক্ষণ দ্রুততার সাথে শুরু হয়ে ক্রমেই সেই দ্রুততার হার কমতে থাকে এবং উন্নতির সুযোগ মালভূমির মত আকার ধারণ করে। অর্থাৎ শিক্ষণকে একটি রেখার আকারে প্রকাশ করলে এটি দ্রুত ওপরের দিকে উঠতে থাকে এবং এরপর তা বাড়া বা কমার হার মালভূমির রূপ নেয় ।

শিক্ষণের স্থানান্তর (Transferring Learning):
শিক্ষণ অবশ্যই কার্যে স্থানান্তরযোগ্য হতে হবে। অর্থাৎ উন্নত কার্য সম্পাদনের জন্য শিক্ষণকে অবশ্যই বাস্তবে কাজে লাগাতে হবে। তাই পরিপূর্ণ দক্ষতা অর্জনের উপযোগী শিক্ষণ আবশ্যক ।
