আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় সমন্বিত মেধা ব্যবস্থাপনা। যা বাউবি ওএসএমবিএ ২২০১ কৌশলগত মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা – ইউনিট ৭ এর অন্তর্গত।
সমন্বিত মেধা ব্যবস্থাপনা

প্রতিষ্ঠানের জন্য মানব মূলধন গঠন ও সমর্থন দানের একটি সামগ্রিক পদ্ধতিই হলো সমন্বিত-মেধা ব্যবস্থাপনা। এটি বহুমুখী প্রক্রিয়াকে সংযুক্ত করে, যেমন- কার্যসম্পাদন ব্যবস্থাপনা, প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন, পর্যায়ক্রমিক পরিকল্পনা ও পেশা ব্যবস্থাপনা। এগুলো মানব সম্পদ চর্চা ও প্রয়োগ সর্বাধিকরণে প্রতিষ্ঠানকে সাহায্য করে। প্রতিষ্ঠান মেধা ব্যবস্থাপনা প্রয়োগের মাধ্যমে চূড়ান্ত ফলাফল মূল্যায়ন করতে সক্ষম হয়।
কারণ এটি প্রতিযোগিতামূলক বাজারে প্রতিষ্ঠানকে সফল হওয়া ও টিকে থাকার জন্য মেধা ব্যবহারের উপর গুরুত্বারোপ করে। কার্যসম্পাদন নির্দেশক হলো- আয়, রৈখিক খরচ, ক্রেতা সন্তুষ্টি, পণ্য বা সেবার মান ও ঘুর্ণায়মান শ্রম । এ নির্দেশকগুলোর উপর মানব মূলধন প্রক্রিয়ার প্রভাব ও প্রতিক্রিয়া পরিমাপ করে প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্ব ঠিক করতে পারেন যে, সর্বাধিক সফলতার জন্য কীভাবে প্রতিষ্ঠানের সম্পদকে বিনিয়োগ করতে হবে।
এজন্য চাকরিজীবনের চক্র, যেমন- প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন, কার্যসম্পাদন ও পর্যায়ক্রমিক ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি সংযুক্ত করে একটি ইউনিটে পরিণত করতে হবে। মেধা ব্যবস্থাপনার প্রয়োগ প্রতিষ্ঠানের মানব মূলধনে একটি বিনিয়োগ, এটি আরো স্বল্পমেয়াদি খরচ নয়। উচ্চ পর্যায়ের যোগ্য ও সক্ষম কর্মীদেরকে কাজে নিয়োজিত করে তুলনামূলক সুবিধা অর্জন করা সম্ভব হয়। কোম্পানি সরবরাহ শিক্ষণ এ্যাপ্রোচ বা পদ্ধতি অনুসরণ করে মেধা ব্যবস্থাপনার মূল্য সর্বাধীকরণ করতে পারে, যেমন-
(i) প্রতিষ্ঠানের বর্তমান কর্মীদের উন্নয়ন ও বাহির থেকে মেধা নিয়োগ
(ii) কর্মীদের মধ্য থেকে অধিক যোগ্যতাসম্পন্নদের নিয়ে মেধা পুল তৈরি
(iii) দীর্ঘমেয়াদের চেয়ে স্বল্প মেয়াদে মেধা পূর্বানুমান করতে হবে এবং
(iv) পেশা উন্নয়নে কর্মী ও মালিকদের মধ্যে সমঝোতা প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
যাই হোক, নিচে সমন্বিত-মেধা ব্যবস্থাপনা দেখানো হলো:

চিত্র: সমন্বিত মেধা ব্যবস্থাপনা
