বিশ্ব মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা কীভাবে দেশীয় মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা হতে পৃথক হয়

আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় বিশ্ব মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা কীভাবে দেশীয় মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা হতে পৃথক হয়। যা বাউবি ওএসএমবিএ ২২০১ কৌশলগত মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা – ইউনিট ১৩ এর অন্তর্গত।

বিশ্ব মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা কীভাবে দেশীয় মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা হতে পৃথক হয়

 

বিশ্ব মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা কীভাবে দেশীয় মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা হতে পৃথক হয়

 

আলোচিত ইউনিটে দেশীয় মানব সম্পদ-ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মানব সম্পদ-ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়েছে। এ অধ্যায় পাঠ করে শিক্ষার্থীরা জানতে পারবে যে, বিশ্বের মানব সম্পদ-ব্যবস্থাপনা কীভাবে দেশীয় মানব সম্পদ-ব্যবস্থাপনা হতে পৃথক।এটি সত্যি যে, কৌশলগত মানব সম্পদ-ব্যবস্থাপনার নীতিগুলোই বিশ্ব মানব সম্পদ-ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হয়।

তবে বিশ্ব মানব সম্পদ-ব্যবস্থাপনার কিছু আশ্চর্যজনক বিষয় রয়েছে, যা নিম্নরূপ :

১. বিশ্বে মানুষকে পরিচালনার জন্য মানব সম্পদ-ব্যবস্থাপনাকে বড় পরিসরে কাজ করতে হয়। পরিসরগুলো হলো: কর বিষয়ক ইস্যু, বৈদেশিক মুদ্রা সমন্বয়করণ, বিনিময় হার, পারিশ্রমিক পরিকল্পনা ইত্যাদি।

২. এটিতে কর্মীদের ব্যক্তিগত জীবনযাপনের সাথে বেশি সম্পৃক্ততার প্রয়োজন হয়। কারণ, বিদেশে অবস্থানের জন্য বাড়িভাড়া ছেলে-মেয়েদের স্কুলের ব্যবস্থা করা, বিনোদনের ব্যবস্থা করা প্রভৃতি। নিজ দেশে এগুলো যত সহজ, বিদেশে তত সহজ নয় ।

৩ . প্রতিষ্ঠানকে বিভিন্ন দেশের ভৌগলিক অবস্থাভেদে মানব সম্পদ-ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি গ্রহণ করতে হয়। এটি অবশ্যই এক এক জায়গায় এক এক রকম হয়ে থাকে।

৪. প্রতিষ্ঠানকে বিদেশে সরকারি, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় দলের সাথে সমন্বয় করে কাজ করতে হয়।

৫. বিদেশে কাজ করতে গেলে অনেক ঝুঁকিও নিতে হয়। যেমন: কর্মী ও পরিবারের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা, সংশ্লিষ্ট দেশের আইনকানুন সংক্রান্ত বিষয়, সম্ভাব্য সন্ত্রাসী কার্যক্রম এবং যে কোনো ভুলের জন্য মানবিক ও আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হওয়া প্রভৃতি ।

সুতরাং দেখা যাচ্ছে যে, বিদেশে ব্যবসায়-প্রতিষ্ঠান চালু ও মানব সম্পদ-ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে উপর্যুক্ত বিষয়গুলো অবশ্যই বিবেচনায় রাখতে হবে, যা নিজ দেশের ক্ষেত্রে বিবেচনার প্রয়োজন হয় না ।

 

বিশ্ব মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা কীভাবে দেশীয় মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা হতে পৃথক হয়

Leave a Comment