আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় প্রতিষ্ঠানের জন্য মানব মূলধন ব্যবস্থাপনা কৌশলের সুবিধা । যা বাউবি ওএসএমবিএ ২২০১ কৌশলগত মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা – ইউনিট ৫ এর অন্তর্গত।
প্রতিষ্ঠানের জন্য মানব মূলধন ব্যবস্থাপনা কৌশলের সুবিধা

সাম্প্রতিককালে মানব সম্পদকে প্রতিষ্ঠানের মূলধন হিসেবে গণ্য করা হয়। কারণ, মূলধন (অর্থ বা বিনিয়োগ) যেমন মুনাফা আনয়ন করে, তেমনই মানব সম্পদ কৌশলগত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্যার্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। যাই হোক, মানব মূলধন ব্যবস্থাপনা কৌশল প্রতিষ্ঠানের জন্য বহুবিধ সুবিধা আনয়ন করে। নিচে কয়েকটি উল্লেখ করা হলো:
১ । কর্মীদেরকে কাজের প্রতি আগ্রহী করে তোলা যায়। এতে তারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে কার্যসম্পাদন করে থাকে।
২। প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য, পরিকল্পনা, কৌশল ইত্যাদি সম্পর্কে কর্মীরা ভালোভাবে অবহিত থাকে । এতে তাঁরা বুঝতে পারে যে, কীভাবে কার্যসম্পাদন করলে প্রতিষ্ঠান লাভবান হবে ।
৩। ব্যবসায়ে মানব সম্পদ প্রয়োগের ফলাফল ও তাদের অবদান মূল্যায়ন করা হয়। এতে বোঝা যায় যে, মানব মূলধন ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানের জন্য কতটা কার্যকর।
8 ৷ প্রতিষ্ঠান যথাসময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে। কারণ, সঠিক সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠানের জন্য কল্যাণকর।
৫। এটি ব্যবহার করে বাজারে তুলনামূলক সুবিধা অর্জন করা যায়।
৬ । এতে চাকরির শর্তাবলি উল্লেখ করা হয়। ফলে মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রয়োগ ও মুনাফা অর্জনের মধ্যে সামঞ্জস্য বিধান করা যায়।
৭। মানবকে সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করলে তা কার্যসম্পাদনে অবদান রাখে।
৮। কার্যসম্পাদনে কী ধরনের দক্ষতার প্রয়োজন, তা মানব মূলধন ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে জানা যায়। এর ফলে দক্ষ কর্মী নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হয় ।
৯। এ ব্যবস্থায় কর্মীরা প্রতিষ্ঠানকে নিজের মনে করতে পারে। অর্থাৎ তারা মনে করে যে, প্রতিষ্ঠান বাঁচলেই তারা বাচবে। ফলে তারা কাজকর্মে ফাঁকি দেয় না ।
১০। প্রতিষ্ঠান এ ব্যবস্থায় সমাজের প্রতি দায়িত্ব পালনে দ্বিধা করে না। ফলে প্রতিষ্ঠানের সুনাম বৃদ্ধি পায় ৷

