আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় কর্মসংশ্লিষ্টতার গুরুত্ব । যা বাউবি ওএসএমবিএ ২২০১ কৌশলগত মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা – ইউনিট ৬ এর অন্তর্গত।
কর্মসংশ্লিষ্টতার গুরুত্ব

কার্যসংশ্লিষ্টতার-গুরুত্ব হলো যে, এটি চাকরির জন্য সম্পর্ক গড়ে তোলার ক্ষেত্রে মূল হাতিয়ার। এটি বলে দেয় যে, লোকজনকে কী করতে হবে এবং কাজের ক্ষেত্রে কীভাবে ভূমিকা রাখবে এবং ভবিষ্যতে প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্যাজন ও নিজের উন্নয়নের জন্য আরো কী করতে হবে এবং কী ধরনের আচরণ করা প্রয়োজন, তা বলে দেয়।
Walkin তার গবেষণায় দেখেছেন যে, ব্যতিক্রমী কাজে মূল্য সংযোজনের ক্ষেত্রে ‘খুব ভালো’ (Superior) ও ‘মধ্যম’ (Standard) পর্যায়ের কার্যসম্পাদনকারীদের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। যেমন- নিম্ন পর্যায়ের জটিল কাজে শতকরা ১৯ ভাগ, মধ্য পর্যায়ের জটিল কাজে শতকরা ৩২ ভাগ এবং উচ্চ পর্যায়ের জটিল কাজে শতকরা ৪৮ ভাগ পার্থক্য বিদ্যমান ।
সুতরাং দেখা যায় যে, প্রতিষ্ঠানের কাজের প্রতি সংশ্লিষ্টতার-গুরুত্ব রয়েছে। কর্মীদেরকে যদি পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা দেওয়া যায়, তা হলে তারা প্রতিষ্ঠানকে নিজেদের মনে করে কার্যসংশ্লিষ্টতা বাড়িয়ে দেয়। কারণ তখন তারা মনে করে যে, প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নের অর্থ তাদের উন্নয়ন। তাই কর্মীদের প্রতিষ্ঠানের কাজের প্রতি আকৃষ্ট করে তুলতে হবে।
কর্মসংশ্লিষ্টতা বাড়ানোর জন্য কর্মীদের কাজের প্রতি অঙ্গীকার থাকতে হবে। অঙ্গীকার হলো প্রতিষ্ঠানের কাজের প্রতি একজন কর্মীর সংকল্প যা তাকে কাজ করতে আগ্রহী করে তোলে। কর্মসংশ্লিষ্টতা ও অঙ্গীকারের মধ্যে নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। কর্মসংশ্লিষ্টতার-গুরুত্ব রয়েছে।
কারণ, প্রতিষ্ঠানের সাথে সম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য এটি মূল হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে। আবার, কার্যসংশ্লিষ্টতার সাথে কর্মীদের স্বেচ্ছাধীন আচরণের সম্পর্ক রয়েছে। স্বেচ্ছাধীন আচরণ হলো- যেখানে পছন্দ কর্মীরা সেখানে নিজেদের পন্থায় কাজ করবে। যাই হোক, কর্মিসংশ্লিষ্টতা কৌশল সম্পর্কে এ ইউনিটে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। ব্যবস্থাপকদেরকে অবশ্যই এ সম্পর্কে ধারণা অর্জন করতে হবে।

