জ্ঞানের উৎস ও প্রকারভেদ

আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় জ্ঞানের উৎস ও প্রকারভেদ। যা বাউবি ওএসএমবিএ ২২০১ কৌশলগত মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা – ইউনিট ৭ এর অন্তর্গত।

জ্ঞানের উৎস ও প্রকারভেদ

 

জ্ঞানের উৎস ও প্রকারভেদ

 

জ্ঞান-ব্যবস্থাপনার জন্য কৌশল, প্রতিষ্ঠানের জ্ঞানের উৎস ও ধরনের মধ্যে অনুসন্ধান করতে হবে। জ্ঞানকে ডাটা ব্যাংকে জমা করতে হবে এবং তা প্রতিষ্ঠানের প্রতিবেদন, গ্রন্থাগার, পলিসির দলিল, ম্যানুয়েল প্রভৃতি মাধ্যমে এবং প্রাচীন পদ্ধতি, যেমন- সভা, কর্মশালা, কোর্স, ক্লাস, কোচিং, লিখিত প্রকাশনা, ভিডিও, ডিভিডি ও টেপ রেকর্ডার প্রভৃতি উপায়ে প্রতিষ্ঠানের চারিদিকে ছড়ানো যায়।

জ্ঞানকে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য ইন্টারনেট একটি অতি ফলপ্রসূ মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। Nonaka & Nonaka & Takeuchi বলেন, জ্ঞান প্রকাশিত ও অপ্রকাশিত দুরকমই হতে পারে। প্রকাশিত জ্ঞানকে নিয়মের মধ্যে বাধা যায়, এটি রেকর্ড করা যায় এবং ডাটাবেজ, অফিসের ইন্টারনেট ও মেধাস্বত্ব তালিকায় এটি পাওয়া যায়।

অপ্রকাশিত জ্ঞান মানুষের মননে বিরাজ করে। এটিকে লেখার মাধ্যমে প্রকাশ করা বা সাজানো খুব কঠিন এবং যা ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে অর্জন করা যায়। Hansen ও সহযোগীদের মতে, “জ্ঞান-ব্যবস্থাপনায় বৈজ্ঞানিক বা কারিগরি বিশেজ্ঞতা, কার্যের কৌশল, একটি শিল্পের অভ্যন্তরীণ বিষয় ও ব্যবসায়িক যুক্তিসমূহ অন্তর্ভুক্ত করা হয়। জ্ঞান-ব্যবস্থাপনার মূল চ্যালেঞ্জ হলো এটি কীভাবে অপ্রকাশিত জ্ঞানকে প্রকাশিত জ্ঞানে পরিণত করবে।

জ্ঞান-ব্যবস্থাপনার উদ্দেশ্য হলো প্রাতিষ্ঠানিক উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করার জন্য জ্ঞানকে বিভিন্ন উৎস হতে আহরণ করা এবং যাদের এ জ্ঞান নেই, তাদেরকে প্রদান করা। জ্ঞান-ব্যবস্থাপনা বুদ্ধিবৃত্তিক মূলধন তত্ত্ব-এর সাথে নিবিড়ভাবে জড়িত।

এটি যৌক্তিক তথ্য চিহ্নিত করে জ্ঞানকে সম্পদে পরিণত করে। জ্ঞানের নানা ধরনের উৎস রয়েছে, যেমন- সভা, কর্মশালা, কোর্স, ক্লাস, কোচিং, লিখিত প্রকাশনা, ভিডিও প্রভৃতি। জ্ঞান-ব্যবস্থাপনার বিবেচ্য বিষয়সমূহ হলো- পরিবর্তনের সুযোগ, জ্ঞান-ব্যবস্থাপনা কৌশলের সাথে ব্যবসায় কৌশলের সম্পর্ক নির্ধারণ প্রভৃতি। বর্তমান অধ্যায়ে জ্ঞান-ব্যবস্থাপনা কৌশল সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।

 

জ্ঞানের উৎস ও প্রকারভেদ

Leave a Comment