ইক্যুইটির ধারণা ও প্রকারভেদ

আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় ইক্যুইটির ধারণা ও প্রকারভেদ। যা বাউবি ওএসএমবিএ ২২০১ কৌশলগত মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা – ইউনিট ৮ এর অন্তর্গত।

ইক্যুইটির ধারণা ও প্রকারভেদ

 

ইক্যুইটির ধারণা ও প্রকারভেদ

 

সাধারণ কথায় আমরা ইক্যুইটি বলতে মালিকানা স্বত্বকে বুঝে থাকি। কিন্তু ইক্যুইটি শুধু মালিকানাস্বত্ব ছাড়াও অনুরূপ আরও কিছু বোঝায়। অর্থাৎ ইক্যুইটি হচ্ছে মূলত নিজের মূল্যায়ন। যেমন: সমপর্যায়ের সকল ব্যক্তির মূল্যায়নে স্ব-স্ব ব্যক্তি নিজেকে কেমনভাবে মূল্যায়ন করে তাই তার ইক্যুইটি।

উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, কোনো ব্যক্তি কোনো প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছে এবং ঐ প্রতিষ্ঠানে তার সমপর্যায়ের সকল লোকের মধ্যে সেও আছে এবং অনুরূপ পর্যায়ে ব্যক্তির যে মূল্যায়ন সৃষ্টি হয় তাই ইক্যুইটি। প্রত্যেক ব্যক্তির ইক্যুইটি সমান হয় না অর্থাৎ প্রত্যেকের স্বতন্ত্র ইক্যুইটি রয়েছে। তবে সমমর্যাদার কর্মীদের ইক্যুইটি সমান ধরা হয় এবং যার ইক্যুইটি বেশি বলে মনে করা হয় তার মর্যাদা বাড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়।

যেমন অফিসার ও সুপারভাইজারদের মধ্যে ইক্যুইটির পার্থক্য থাকায় তাদের মর্যাদাও ভিন্ন। আবার সকল সুপারভাইজারদের ইক্যুইটি সমান, তাই তারা সুপারভাইজার। এদের মধ্যে কারও ইক্যুইটি বৃদ্ধি পেলে তাকে অফিসার করা হয় কিংবা অন্যান্য সুবিধা বাড়ানো হয়। সাধারণত প্রতিষ্ঠান তার কর্মীদের প্রতিষ্ঠানের সম্পদ বিবেচনা করে এবং সমপর্যায়ের সকলের মর্যাদা প্রতিষ্ঠানের কাছে সমান হয়। প্রতিষ্ঠানের কাছে যার মূল্যায়ন যত বেশি তার ইক্যুইটিও তত বেশি ।

আন্তর্জাতিক HR Council এর ইক্যুইটির সংজ্ঞা নিচে দেওয়া হলো :
Work place equity refers to the perception that all employees in an organization are being treated fairly. অর্থাৎ, “কার্যক্ষেত্রে সমতা বলতে এমন ধারণাকে বুঝাচ্ছে যে, প্রতিষ্ঠানের সকলেই যেন সমানভাবে সুযোগ সুবিধা পায়।”
External pay equity exists when employees in an organization perceive that they are being rewarded fairly in realation to those who perform similar jobs in other organization. অর্থাৎ, “কর্মীরা যখন মনে করে যে, অন্য প্রতিষ্ঠানে যে কাজ করে যে পুরস্কার পাওয়া যায়, বর্তমান প্রতিষ্ঠানেও সেই কাজের জন্য একই পুরস্কার পাওয়া যায়। কেবল তখনই বাহ্যিক পরিশোধ সমতা রয়েছে বলে মনে করা হয় । ”

সুতরাং বলা যায় যে, সমতা বা ইক্যুইটি হলো এমন একটি বিষয় যেখানে মনে করা হয় যে, প্রত্যেক কর্মীই সকলের নিকট সমান। তারা সকলেই সমান সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার অধিকারী।

ইক্যুইটির প্রকারভেদ (Kinds of equity)

ইক্যুইটিকে কয়েক ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন:
১. অভ্যন্তরীণ সমতা (Internal equity)
২. বাহ্যিক সমতা (External equity)

৩. ব্যক্তিক সমতা (Individual equity)

 

নির্বাহীদের ক্ষতিপূরণ

Leave a Comment