ব্যবস্থাপকদের জন্য নৈতিকতার দিকনির্দেশনা

আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় ব্যবস্থাপকদের জন্য নৈতিকতার দিকনির্দেশনা। যা বাউবি ওএসএমবিএ ২২০১ কৌশলগত মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা – ইউনিট ৯ এর অন্তর্গত।

ব্যবস্থাপকদের জন্য নৈতিকতার দিকনির্দেশনা

 

ব্যবস্থাপকদের জন্য নৈতিকতার দিকনির্দেশনা

 

ব্যবস্থাপকগণ হলেন প্রতিষ্ঠানের কাণ্ডারি। তারা শক্ত করে হাল ধরে কর্মীদেরকে যেদিকে চালিত করবেন প্রতিষ্ঠান সেদিকে চালিত হবে। তাই ব্যবস্থাপকদেরকে খুব ধীরস্থিরভাবে ও সাবধানে পথ চলতে হবে যেন তাদের কোনো কৃতকর্মের ফলে প্রতিষ্ঠান, কর্মকর্তা ও কর্মীগণ ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। তাই তাদের কী করা সমীচীন আর কী করা সমীচীন নয়, সে সম্পর্কে সঠিক নির্দেশনা থাকা আবশ্যক। বিশেষ করে নৈতিকতা বিষয়ে ব্যবস্থাপকদের কতিপয় দিক-নির্দেশনা মানতেই হবে । নিম্নে নীতি নৈতিকতার কতিপয় নির্দেশনা দেওয়া হলো :

১. আইন মেনে চলা ব্যবস্থাপকদের অন্যতম দায়িত্ব।

২. বিভিন্ন পক্ষের সাথে সুসম্পর্ক গড়ে তুলতে সত্য কথা বলতে হবে। অর্থাৎ, সর্বক্ষেত্রে সততার নীতি অনুসরণ করতে হবে।

৩. সসম্মানে জনগণের সাথে কাজ করতে হবে। অর্থাৎ, সংশ্লিষ্ট সকলকে প্রাপ্য সম্মান প্রদর্শন করতে হবে।

8. স্বর্ণনীতি অনুসরণ করতে হবে যে, অন্যের নিকট যেমন আচরণ প্রত্যাশা করা হয়, অন্যের প্রতি যেন তেমন আচরণ প্রদর্শন করা হয় ।

৫. অন্যের উপর এমন কিছু চাপিয়ে দেওয়া যাবে না, যা তার জন্য কষ্টকর ।

৬. কর্তৃত্বমূলক আচরণ না করে অংশগ্রহণমূলক আচরণ করতে হবে।

৭. যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

ব্যবস্থাপকদেরকে নৈতিকতার উপর্যুক্ত নির্দেশনাসমূহ ছাড়াও আরও খেয়াল রাখতে হবে যে, তাদের প্রতিষ্ঠান কর্তৃক কেউ যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়; বরং প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সাধারণ জনগণ যেন উপকৃত হয়।

নৈতিকতার প্রাতিষ্ঠানিকিকরণ বলতে এমন পরিস্থিতিকে বুঝায়, যেন প্রতিষ্ঠানের দৈনন্দিন কার্যসম্পাদনে নৈতিকতার ধারণা ব্যবহার করা হয়। প্রতিষ্ঠানের নিচের স্তর হতে শুরু করে উচ্চ স্তর পর্যন্ত সকলেই যখন স্ব-স্ব কার্যে নৈতিকতার ধারণাটি মনে রেখে কার্যসম্পাদন করে, তখন তাকে নৈতিকতার প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ বলে।

বিশেষ করে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে উচ্চপর্যায়ের ব্যবস্থাপনা কর্তৃক নৈতিকতাকে বিবেচনা করা হলে, তা-ই নৈতিকতার প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ।

 

ব্যবস্থাপকদের জন্য নৈতিকতার দিকনির্দেশনা

Leave a Comment