মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনার উপাদান ও কার্যাবলি

আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনার উপাদান ও কার্যাবলি

মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনার উপাদান ও কার্যাবলি

 

মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনার উপাদান ও কার্যাবলি

 

মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনার উপাদান ও কার্যাবলি

প্রতিষ্ঠানের কর্মরত মানবসম্পদকে দক্ষ করে গড়ে তোলা এবং তাদের কাম্য ব্যবহার নিশ্চিত করাই মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনার মূল কাজ। এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনাকে দক্ষ কর্মী সংগ্রহ, নির্বাচন ও নিয়োগদান, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মীদের দক্ষতার উন্নয়ন ঘটানো, কর্মীদের কাজের প্রতি উৎসাহ তৈরির জন্য প্রনোদনাদান,

কর্মী সংরক্ষণ বা কর্মীদের প্রতিষ্ঠানে ধরে রাখার জন্য বিভিন্ন কল্যাণমূলক ব্যবস্থা গ্রহণসহ উন্নত কার্যপরিবেশ সৃষ্টি করাসহ নানা ধরনের কার্যাবলি সম্পাদন করতে হয়। মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনার কার্যাবিল মূলত চারটি (৪টি) উপাদান নিয়ে গঠিত। উপাদানগুলো হলো- ১। মানব সম্পদের সংগ্রহ বা অর্জন ২। মানব সম্পদের উন্নয়ন ৩। মানব সম্পদের প্রেষণাদান ৪ । মানব সম্পদের সংরক্ষণ

মানব সম্পদের অর্জন বা সংগ্রহ (Human Resource Acquisition):

মানব সম্পদ সংগ্রহ বলতে প্রতিষ্ঠানে শূন্যপদ বা সৃষ্টপদ পূরণে কর্মীদের আগ্রহ সৃষ্টির মাধ্যমে আবেদনপত্র গ্রহণ থেকে শুরু করে নির্বাচনের মাধ্যমে নিয়োগ, স্থাপনা বা পদায়ন, কর্মী পরিচিতকরণ পর্যন্ত যাবতীয় কাজকে বুঝায়। নিম্নে সম্পদ সংগ্রহের সাথে সম্পৃক্ত কার্যাবলি আলোচনা করা হলো:-

মানবসম্পদ পরিকল্পনা (Human Resource Planing):

মানবসম্পদ পরিকল্পনা বলতে প্রতিষ্ঠানে ভবিষ্যৎ মানব সম্পদের চাহিদা নিরুপন করাকে বুঝায়। সুষ্ঠু মানব সম্পদ পরিকল্পনার মাধ্যমে সঠিক পদে সঠিক সময়ে সঠিক কর্মীকে নিয়োগ করা সম্ভব হয়। এর ফলে দক্ষ মানব সম্পদ দ্বারা প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য অর্জন সহজ হয়ে যায়। E.W Vatter মানবসম্পদ পরিকল্পনা সংজ্ঞা দিতে গিয়ে বলেন,

“মানব সম্পদ পরিকল্পনা হচ্ছে সেসব পরিকল্পনা যা পরিচালক পর্ষদকে সঠিক সময়ে সঠিক যোগ্যতাসম্পন্ন কর্মী সঠিক সংখ্যায় সংগ্রহ করতে সাহায্য করে, যার ফলে সামগ্রিক সংগঠন ও কর্মী সাধারণ উভয়েই দীর্ঘকালীন ভিত্তিতে সর্বাধিক উপকৃত হন” । Decenzo 3 S.P. Robbins এর ভাষায়,” মানব সম্পদ পরিকল্পনা হচ্ছে এরূপ একটি পরিকল্পনা,

যা দ্বারা সংগঠনে ফলপ্রসূ ও দক্ষতার সাথে কার্যসম্পাদনের জন্য সঠিক লোক ও সংখ্যা, সঠিক স্থানে এবং সঠিক সময়ে প্রাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় যা প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক উদ্দেশ্য অর্জনে সহায়তা করে। সুতরাং মানব সম্পদ পরিকল্পনা হচ্ছে প্রতিষ্ঠানে কাজের প্রকৃতি এবং পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে কখন কী ধরনের কত সংখ্যক কর্মী প্রয়োজন হবে, তা দক্ষতার সাথে নিরূপন করা ।

কার্যবিশ্লেষণ (Job Analysis) :

একটি সংগঠনের বা প্রতিষ্ঠানের কার্যসমূহের ধারাবাহিক বা পদ্ধতিগত ভাবে তথ্য সংগ্রহ ও লিপিবদ্ধকরাকে কার্য বিশ্লেষণ বলে। কার্য বিশ্লেষনের মাধ্যমে কোনো নির্দিষ্ট পদ বা কার্যের বিস্তারিত বিবরণ পাওয়া যায়। অন্যভাবে বলা যায় যে কার্য বিশ্লেষণ দ্বারা প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের কাজের প্রকৃতি, দায়িত্ব-কর্তব্য, ব্যবহৃত প্রযুক্তি, যন্ত্রপাতি ও কর্মীর প্রশিক্ষণ, পারিশ্রমিক, পদোন্নতি, কারখানার অবস্থা ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়।

কার্য বিশ্লেষণ দ্বারা কর্মীর নির্দিষ্ট পদে কাজের জন্য প্রয়োজনীয় যোগ্যতা সম্পর্কিত তথ্যাদিও পাওয়া যায়। Gary Dessler এর মতে,“কার্যবিশ্লেষণ হচ্ছে এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে কার্যের প্রকৃতি এবং কর্তব্য ও দায়িত্ব নির্ধারণ এবং কী ধরনের লোকের প্রয়োজন হবে, তা নির্ধারণ করা”। Decenzo ও Robbins এর ভাষায়, “কার্য বিশ্লেষণ হলো কাজের বিস্তারিত বিবরণ।

কাজের সাথে প্রযুক্তির ও অন্যান্য পদের সম্পর্ক নির্ধারণ এবং পদসংশ্লিষ্ট জ্ঞান, যোগ্যতা অথবা নিয়োগের মান, জবাবদিহিতা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্যাদির সংকলনের সাথে সম্পৃক্ত”। কার্যবিশ্লেষণর মাধ্যমে কার্য সম্পর্কিত তথ্য লাভ করে কার্যবিবরণী (Job description) কার্য নির্দিষ্টকরণ ( Job Specification) এবং কার্য মূল্যায়ন (Job Evaluation) করা সম্ভব হয়।

মানব সম্পদের উন্নয়ন (Human Resource Development):

নিত্যনতুন প্রযুক্তির আবির্ভাব, কার্যপদ্ধতির পরিবর্তন এবং উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কর্মীর জ্ঞান ও দক্ষতার উন্নয়নসাধন করা অত্যন্ত জরুরী। কর্মীদের কর্মদক্ষতা উন্নয়নের জন্য প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হয় ও নির্বাহীদের বিভিন্ন প্রকারের দক্ষতা উন্নয়নের জন্য ব্যবস্থাপনা উন্নয়নের পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হয় এবং সর্বাপরি কর্মীদের ক্যারিয়ার উন্নয়নের প্রয়োজনীয় প্রচেষ্টা গ্রহণ করতে হয়। নিম্নে কর্মী উন্নয়নমূলক কার্যাবলি আলোচনা করা হলো :

 

কর্মী প্রশিক্ষণ (Employee Training) :

প্রশিক্ষণ হচ্ছে একটি সংগঠিত এবং চলমান শিক্ষাদানের প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে কর্মীদের কার্যসম্পাদনের জ্ঞান, দক্ষতা, মনোভাব এবং আচরণের উৎকর্ষতা সাধিত হয়। একটি প্রতিষ্ঠানের কার্য সঠিক এবং দক্ষতার সাথে সম্পাদনের পূর্বশর্তই হচ্ছে প্রশিক্ষণ ।
Gary Dessler এর মতে, “নতুন ও বর্তমান কর্মীদের কার্য সম্পাদনের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য যে উপায় ব্যবহৃত হয় তাকে প্রশিক্ষণ বলে”।

David A.Decenzo ও Robbins এর মতে, “ প্রশিক্ষণ হচ্ছে এমন একটি শিখন অভিজ্ঞতা যা একজন ব্যক্তির মধ্যে 44 তুলনামূলকভাবে স্থায়ী পরিবর্তন আনয়ন করে কর্মক্ষেত্রে কার্য সম্পাদনের সামর্থ্যের উন্নতি ঘটায়। প্রশিক্ষণ দক্ষতা, জ্ঞান, মনোভাব ও সামাজিক আচরণের পরিবর্তনের সাথে সম্পৃক্ত” । ” Robent Kreithner এর ভাষায়, সাধনের প্রক্রিয়াকে প্রশিক্ষণ বলে ।

কতিপয় নির্দেশিত অভিজ্ঞতার মাধ্যমে কর্মীর আচরণ ও মনোভাবের পরিবর্তন মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা কর্মীর প্রশিক্ষণ কর্মসূচি প্রণয়ন করে বিভিন্ন কৌশলে কর্মীর কাজের মধ্যে (on the job) অথবা কাজের বাইরে (off the job) প্রশিক্ষণ দেয়ার ব্যবস্থা করে। কাজের মধ্যে প্রশিক্ষণ পদ্ধতিসমূহ হলো: হাতে কলমে শিক্ষা, শিক্ষানবিসি, কার্য নির্দেশনা, প্রবেশিকা, শিক্ষাগৃহ ইত্যাদি এবং কাজের বাইরে প্রশিক্ষণ পদ্ধতিসমূহ হলো: ভেষ্টিবল প্রশিক্ষণ, লেকচার প্রদান, কনফারেন্স, কর্মসূচি নির্দেশনা রোল প্লে ইত্যাদি।

ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন (Management Development):

প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী বা ব্যবস্থাপকদের জ্ঞান ও দক্ষতাকে সু-সংগঠিত করে ভবিষ্যতে যোগ্য ব্যবস্থাপক তৈরির পরিকল্পিত কর্মসূচি হচ্ছে ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন। ব্যবস্থাপকীয় নৈপূণ্য ও দক্ষতা বৃদ্ধি করাই ব্যবস্থাপনা উন্নয়নের মুখ্য উদ্দেশ্য। Gary Dessler এর মতে, “ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন হচ্ছে ব্যবস্থাপকীয় কার্যসম্পাদন উন্নয়নের এমন এক প্রচেষ্টা; যা জ্ঞান প্রদান, মনোভাব পরিবর্তন ও দক্ষতা বৃদ্ধির দ্বারা অর্জিত হয়”।

Decenzo ও Robbins এর ভাষায়, “ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন অধিকতর ভবিষ্যৎমুখী এবং কর্মী প্রশিক্ষণের চেয়ে অধিকতর শিক্ষার সাথে সম্পর্কিত, যা কোনো ব্যক্তিকে উন্নত কার্য সম্পাদক হিসেবে তৈরি করতে সহায়ক”।

Dale S. Beach এর মতে, “ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন হচ্ছে প্রশিক্ষণ ও উন্নয়নের একট পদ্ধতিগত প্রক্রিয়া, যা দ্বারা নির্বাহীবৃন্দ ফলপ্রসূভাবে প্রতিষ্ঠানের কার্য পরিচালনার্থে তাদের জ্ঞান, দক্ষতা, অন্তদৃষ্টি এবং মনোভাব অর্জন ও প্রয়োগ করে” ।

Prof R. W. Griffin এর মতে, “ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন বলতে ব্যবস্থাপক ও পেশাজীবীদের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ এর প্রয়োজনীয় দক্ষতা সম্পর্কে শিক্ষাদানের প্রক্রিয়াকে বুঝায়”।

সুতারাং ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন হচ্ছে প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপক বা নির্বাহীদের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ দায়িত্ব পালনের উপযোগী জ্ঞান, দক্ষতা, কার্যক্ষমতা ও মনোভাব বৃদ্ধির একটি পদ্ধতিগত প্রক্রিয়া।

মানবসম্পদের প্রেষণা দান (Motivation) :

প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য অর্জনের জন্য কর্মীদের কাজে উৎসাহ ও উদ্দীপনা জাগানো এবং অনুপ্রাণিত করার কৌশলকে প্রেষণা বলা হয়। কাজের প্রতি কর্মীর আগ্রহ ও ইচ্ছাকে জাগ্রত করাই প্রেষণার মূল উদ্দেশ্য। অন্যভাবে বলা যায় যে, প্রেষণা হলো এমন একটি কৌশল যার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত কর্মীদের দিয়ে স্বত:স্ফুতভাবে সর্বাধিক কাজ আদায় করার জন্য অনুপ্রাণিত করা হয়।

Fred Luthans এর মতে, “প্রেষণা হচ্ছে এরূপ একটি প্রক্রিয়া যা একটি শারীরিক বা মনস্তাত্ত্বিক ঘাটতি বা চাহিদা দ্বারা শুরু হয়, যা কোনো নির্দিষ্ট লক্ষ্য বা প্রনোদনা অর্জনের জন্য আচরণকে সক্রিয় করে তোলে অথবা তাড়নাকে জাগ্রত করে” ।

Prof. R. W. Griffin এর মতে, “প্রেষণা হচ্ছে এরূপ একটি শক্তি প্রতিষ্ঠা যার কারণে মানুষ একটি সুনির্দিষ্ট পন্থায় আচরণ প্রদর্শন করে ।
প্রেষণা আর্থিক ও অনার্থিক এই দুই ভাবেই হতে পারে। কর্মীর ফলপ্রসূ কার্যসম্পাদনে কতিপয় বাহ্যিক উপাদান যেমন- কার্য ডিজাইন, কার্যশর্ত, চাকরির নিরাপত্তা, তত্ত্বাবধান ইত্যাদি সন্তোষজনক হতে হয়, ঠিক তেমনি অভ্যন্তরীণ উপাদান যেমন- সাফল্য অর্জন, স্বীকৃতি দায়িত্ব প্রদান ইত্যাদির উপস্থিত থাকা খুবই প্রয়োজন।

কর্মীর প্রেষণাকে অন্যান্য যেসব বিষয় প্রভাবিত করে তা হচ্ছে কার্যসম্পাদন, মূল্যায়ন, পুরস্কৃতকরণ ক্ষতিপূরণ, প্রশাসন, সুবিধাদি প্রদান এবং কর্মক্ষেত্রে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করা ইত্যাদি।

মানব সম্পদ সংরক্ষণ (Human Resource Maintenance):

যোগ্য, প্রতিশ্রুতিশীল ও দক্ষ কর্মীদের প্রতিষ্ঠানে ধরে রাখতে কার্যকরি পরিবেশ তৈরি করা মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্য। নিম্নে কার্যকর মানব সম্পদ সংরক্ষণসংক্রান্ত কার্যাবলি আলোচনা করা হলো:

নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যরক্ষা (Safety and Health):

১৯৬৫ সালের কারখানা আইনের বিধান অনুযায়ী কর্মীর স্বাস্থ্য রক্ষা ও নিরাপত্তাজনিত ব্যবস্থাসমূহ গ্রহণ করা প্রতিষ্ঠানের জন্য অপরিহার্য। প্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তা প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে কাজের ঝুঁকি এবং দুর্ঘটনা রোধ সম্পর্কে কর্মীদের সচেতন করে তোলো এবং কর্মীদের স্বাস্থ্য সম্পর্কিত সহায়তা দানের জন্য প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ব্যবস্থা থাকা আবশ্যক ।

উত্তম শ্রম-সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা (Establish Cordial Labor Relationship):

প্রতিষ্ঠানের শ্রমিক-শ্রমিক, শ্রম ব্যবস্থাপনা ও শ্রমিক-মালিক এর মধ্যে উত্তম ও সৌহাদ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা আবশ্যক। প্রতিষ্ঠানের শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য এবং উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির জন্য উত্তম শ্রম-সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

 

মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনার উপাদান ও কার্যাবলি

 

শ্রম কল্যাণ সম্পর্কিত কার্য (Labor Welfare Activities) :

প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের জন্য বিভিন্ন ধরনের কল্যাণমূলক ব্যবস্থাগ্রহণ মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ। কর্মীদের জন্য কল্যাণমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ বলতে স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতকরণ, খেলাধুলা বা চিত্ত বিনোদনের ব্যবস্থা গ্রহণ, ক্যান্টিন সুবিধা প্রদান, অবসরভাতা ব ভবিষ্যৎ তহবিলের ব্যবস্থাকরণ, ছেলে-মেয়েদের জন্য স্কুল তৈরি, উপাসনালয় প্রতিষ্ঠা, উৎসব ভাতার ব্যবস্থাকরণ ইত্যাদিকে বুঝায়।

এই সব শ্রম কল্যাণমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের ফলে প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের কার্য সন্তুষ্টি বৃদ্ধি পায় এবং তারা আরো মনোযোগী হয়ে কাজে আত্মনিয়োগ করতে পারে।

Leave a Comment