আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় আবেদনপত্রের অন্তর্ভুক্ত বিষয়াদি
Table of Contents
আবেদনপত্রের অন্তর্ভুক্ত বিষয়াদি

আবেদনপত্রের অন্তর্ভুক্ত বিষয়াদি
একটি আবেদনপত্রে যে বিষয়গুলো উল্লেখ থাকে তা নিম্নে দেওয়া হলো:
ব্যক্তিগত তথ্য (Personal Information) :
সরকারি বা বেসরকারি চাকরির ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত তথ্য উল্লেখ্য করতে হয়। এই তথ্যগুলোকে মধ্যে রয়েছে আবেদনকারীর নাম, স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা, জন্ম তারিখ, লিঙ্গ, ধর্ম, জাতীয়তা ইত্যাদি। তবে দেশের প্রতিরক্ষা বা নিরাপত্তা বাহিনীতে আবেদনের সময় আবেদনকারীদের বাড়তি তথ্য প্রদান করতে হয়। যেমন: উচ্চতা, ওজন, শারীরিক মাপ, বৈবাহিক অবস্থা, পোষ্য সংখ্যা ইত্যাদি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা ও দক্ষতা (Academic Qualification and Skills):
আবেদনপত্রে প্রার্থীকে তার শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা দিতে হয়। এক্ষেত্রে প্রার্থীকে উল্লেখ করতে হয় সে কোনো বিষয়ে কি ডিগ্রী অর্জন করেছে, তার ফলাফল কি এবং কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ডিগ্রি অর্জন করেছে ইত্যাদি। প্রার্থীর প্রশিক্ষণ, পেশাগত দক্ষতা, কারিগরি জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার সনদ থাকলে তাও উল্লেখ করতে হয়।
অতীতকর্ম অভিজ্ঞতা (Previous Working Experience):
প্রার্থীর অতীত কর্ম অভিজ্ঞতা সম্বলিত বিবরণ প্রদান করতে হয়। অতীত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরির বিবরণ এখানে লিপিবদ্ধ করতে হয়। প্রার্থীর অন্যান্য অভিজ্ঞতা থাকলেও তার বিবরণ এখানে উল্লেখ করতে হয়।
শখ, আগ্রহ, স্বীকৃতি (Interest, Hobby and Recognition):
চাকরিদাতা প্রতিষ্ঠান আবেদন কারীর শখ, আগ্রহ এবং বিশেষ কোনো যোগ্যতাকে আলাদাভাবে মূল্যায়ন করে থাকে। এগুলো বাড়তি যোগ্যতা হিসেবে বিবেচিত হয়। যেমন: ছাত্রজীবনে অনেক ব্যক্তিই সামাজিক কল্যাণধর্মী সংগঠন, সাংস্কৃতিক সংগঠন ইত্যাদির সাথে যুক্ত থাকে। আবেদনপত্রে প্রার্থীকে এসব বিষয়গুলো সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হয়।
কাঙ্ক্ষিত বেতন ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা (Expected Salary and other Benefits):
আবেদনপত্রের এই পর্যায়ে প্রার্থী তার কাঙ্ক্ষিত বেতনের পরিমাণ ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা যা সে পাওয়ার আশা করে সে সম্পর্কে তথ্য প্রদান করতে হয়।
রেফারেন্স (Reference):
একটি আবেদনপত্রে প্রার্থীর রেফারেন্স উল্লেখ থাকাটা খুবই প্রয়োজন, বেসরকারি চাকরির ক্ষেত্রে রেফারেন্স গুরুত্ব অনেক বেশি। রেফারেন্স হিসেবে সাধারণত প্রার্থীর শিক্ষক অথবা প্রার্থীকে সার্বিকভাবে চেনেন এবং সামাজিকভাবে প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তির নামে উল্লেখ করা যেতে পারে। প্রার্থীর অতীত আচরণ এবং প্রাসঙ্গিক বিষয়সমূহ যাচাইয়ের জন্যই মূলত আবেদনপত্রে রেফারেন্স উল্লেখ করা হয়।

স্বাক্ষর (Signature):
স্বাক্ষরের মাধ্যমে প্রার্থী আবেদনপত্রে প্রদত্ত তথ্যাদি সঠিক এবং এর জন্য সে দায়বদ্ধ এই মর্মে নিশ্চয়তা প্রদান করে। আবেদনপত্রের শেষে প্রার্থীকে তার পূর্ণনাম, স্বাক্ষর এবং আবেদন প্রেরণের তারিখ প্রদান করতে হয়।
