আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় কৌশলের ৫পি । যা বাউবি ওএসএমবিএ ২২০১ কৌশলগত মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা – ইউনিট ২ এর অন্তর্গত।
Table of Contents
কৌশলের ৫পি

5 ps of Strategy:
কৌশল হলো একটি প্রক্রিয়া যা প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য ও কর্মের মধ্যে সমন্বয়সাধন করে, যেন প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য সাবলীলভাবে অর্জিত হয়। যাই হোক, Mintzberg কৌশলের ৫-টি ‘পি’ ধারণার উন্নয়ন সাধন করেছেন, যা কৌশল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এগুলো নিম্নরূপ-
১। পরিকল্পনা (Plan) :
ভবিষ্যতে কী করা হবে তার অগ্রীম সিদ্ধান্তই হচ্ছে পরিকল্পনা। পরিকল্পনা হচ্ছে একটি প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যত কর্মপন্থা, যা একটি নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে কার্যসম্পাদনের জন্য নির্বাচন করা হয় ।
২। উদ্দেশ্য (Purpose) :
উদ্দেশ্য হলো কতকগুলো সমপর্যায়ের কার্যের সমষ্টি কখনো যা পরিকল্পনার ফল আবার কখনো পরিবেশের পরিবর্তনের কারণে জরুরী কার্যের প্রতিক্রিয়ার ফল। এভাবে উদ্দেশ্য ধারণার পরিবর্তন হয়।
৩। দিক নির্দেশনা ও পরিচালনা ( Play) :
মূলত স্বল্প সময়ে কার্যসম্পাদনের জন্য কর্মীদেরকে দক্ষতা ও বিচক্ষনতার সাথে পরিচালনা করা। ব্যবস্থাপকদেরকে সীমিত সময়ের মধ্যে উদ্দেশ্যার্জনের জন্য কর্মীদেরকে দক্ষতার সাথে দিক নির্দেশনা প্রদান ও পরিচালনা করতে হবে।
8। অবস্থান (Position) :
অবস্থান বলতে দুই ধরনের অবস্থানকে বুঝানো হয়েছে। প্রথমত: প্রতিষ্ঠানের ভৌগলিক অবস্থান হতে হবে প্রতিযোগীর ভৌগোলিক অবস্থানের ভালো জায়গায়। দ্বিতীয়ত: বাজারে কোম্পানির অবস্থান কেমন? অর্থাৎ প্রতিযোগী প্রতিষ্ঠানের চেয়ে এটি বাজারে কতটুকু অংশ দখল করতে সক্ষম হয়েছে। অবশ্যই প্রতিষ্ঠানকে প্রতিযোগী প্রতিষ্ঠানের চেয়ে বেশি অংশ দখল করতে হবে।
৫৷ ভালো মনোভাব (Perspective) :
এটি দ্বারা প্রতিষ্ঠানের সুদৃঢ়ভাবে বুঝানো হয়েছে। একটি বিখ্যাত কোম্পানির ভালো মনোভাব ও সুদৃঢ়তা থাকতে হয়। সুনাম, বাজারের আকার, ক্রেতা ও সমাজের প্রতি অঙ্গীকার প্রভৃতি হলো ভালো মনোভাব তথা Perspective এর উপাদান।
পরিশেষে বলা যায় যে, প্রতিষ্ঠানের জন্য এমন কৌশল বিবেচনা করতে হয়, যা কোম্পানির উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করে ।

